থাইল্যান্ড ই-ভিসা – Thailand (E-Visa)

থাইল্যান্ড ই-ভিসার আবশ্যক কাগজপত্র

প্রাথমিক কাগজপত্র:

  • সাত (০৭) মাস মেয়াদসহ পাসপোর্ট; পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে সেটির ফটোকপি (পুরাতন পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে, অনুবাদ সহ নোটারি করানো জিডি কপি আবশ্যক)।
  • পূর্বের থাইল্যান্ড ভিসার ফটোকপি (যদি থাকে)।
  • সাম্প্রতিক ১ কপি ছবি যা গত ৩ মাসের মধ্যে তোলা হয়েছে (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, ছবির সাইজ ৩৫ মিমি X ৪৫ মিমি, ম্যাট পেপার)।
  • সর্বশেষ ০৬ মাসের ব্যক্তিগত/কোম্পানির ব্যাংক স্টেটমেন্টের অরিজিনাল কপি এবং ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট (ব্যক্তির ক্ষেত্রে ন্যূনতম ব্যালেন্স ৮০,০০০ টাকা) যা ভিসা হয়ে আসা পর্যন্ত ব্যাংকে রাখতে হবে।
  • জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
  • বৈদ্যুতিক বিল, টেলিফোন বিল, গ্যাস বিল বা পানি বিলের সর্বশেষ কপি (৩ মাসের পুরনো নয়)।
  • একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর, একটি বিকল্প মোবাইল নম্বর এবং একটি সক্রিয় ইমেইল এড্রেস দিতে হবে।
  • ব্যবসায়ীর জন্য:
  • নবায়নকৃত ট্রেড লাইসেন্সের নোটারি পাবলিক সহ ফটোকপি (ইংরেজিতে অনুবাদিত)।
  • মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেল (কোম্পানির জন্য), যদি আবেদনকারীর নাম ট্রেড লাইসেন্সে উল্লেখ না থাকে/ ফর্ম XII/অফিস প্যাড।
  • ভিজিটিং কার্ড।
  • চাকরিজীবীর জন্য:
  • নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) নিয়োগকর্তার কাছ থেকে (অফিশিয়াল প্যাড এ)।
  • অফিশিয়াল আইডি কার্ডের ফটোকপি।
  • ভিজিটিং কার্ড।
  • স্যালারি ব্যাংক স্টেটমেন্ট (হলে ভালো হয়)। ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্ট (সেভিংস অ্যাকাউন্ট) এর ক্ষেত্রে – সর্বশেষ ০৩ মাসের বেতন সনদপত্র/পে-স্লিপ দিতে হবে।
  • ডাক্তারের জন্য বিএমডিসি সার্টিফিকেট।
  • আইনজীবীর জন্য বার কাউন্সিল সার্টিফিকেট।
  • অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির জন্য অবসর গ্রহণের সার্টিফিকেট।
  • সরকারি কর্মচারীর জন্য – জিও (সরকারি আদেশ) প্রয়োজন এবং ইংরেজি অনুবাদ সহ নোটারি করতে হবে।
  • ছাত্রের জন্য:
  • ছাত্র পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুপারিশপত্র বা ছুটির জন্য অনুমতিপত্র।
  • জন্ম সনদ (শুধুমাত্র শিশু ও নবজাতকের জন্য)।
  • অন্যান্য:
  • বিবাহ সনদের ফটোকপি বা নিকাহনামা (পারিবারিক আবেদনের ক্ষেত্রে)।
  • কনস্যুলার অফিস প্রয়োজন মনে করলে অতিরিক্ত কাগজপত্র চাইতে পারে।
  • চিকিৎসার জন্য:
  • চিকিৎসার উদ্দেশ্য হলে, থাইল্যান্ডের কোন হাসপাতালের অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারের ফটোকপি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্থানীয় ডাক্তার/হাসপাতালের অরিজিনাল চিঠি, যদি আবেদনকারী প্রথমবার ভ্রমণকারী হন।
  • রোগীর সাম্প্রতিক মেডিকেল রিপোর্টের সারসংক্ষেপ যা স্থানীয় হাসপাতাল দ্বারা ইস্যু করা হয়েছে; থাইল্যান্ডের হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা গ্রহণের জন্য সদ্য জারিকৃত আমন্ত্রণপত্রের ফটোকপি, যা রোগীর অবস্থা এবং থাইল্যান্ডে স্থানান্তরের প্রয়োজনীয়তা নিশ্চিত করে। চিঠিটিতে যাওয়া-আসার সঙ্গীদের নাম ও সম্পর্ক উল্লেখ থাকতে হবে, যিনি/যারা রোগীর সাথে ভ্রমণ করবেন।
  • ভিসা ফি: ৬,০০০ বাংলাদেশি টাকা (অফেরতযোগ্য)

দ্রষ্টব্য:

  • ডেলিভারির সময় প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ দিন বা দূতাবাসের উপর নির্ভরশীল।
  • ভিসার মেয়াদ ৩ মাস, একক প্রবেশ।
  • পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ভিসার হার পরিবর্তিত হতে পারে।
  • ভিসা ইস্যুর অধিকার দূতাবাস সংরক্ষিত করে।
  • আগমনের আগে, থাইল্যান্ডে প্রবেশকারী সকল অ-থাই নাগরিককে (বায়ু, স্থল বা সমুদ্রপথে) অবশ্যই অনলাইনে থাইল্যান্ড ডিজিটাল অ্যারাইভাল কার্ড (টিডিএসি) সম্পন্ন করতে হবে। ফ্লাইটের ৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধন করুন। tdac.immigration.go.th

You may also like...